মার্কিন খনি ও প্রক্রিয়াকরণ খাত ২০২৭ সালের জানুয়ারির নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে চাহিদা পূরণে প্রস্তুত নয় বলে জানায়। ফলে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চীন থেকে খনিজ আমদানির অনুমোদন চালিয়ে যেতে হতে পারে। খবর রয়টার্স।
যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৫০টি খনিজ সম্পর্কিত কোম্পানিতে কয়েক কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। লক্ষ্য ছিল অস্ত্র ও কৌশলগত পণ্যের জন্য চীনের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমানো। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে চীন, রাশিয়া, ইরান বা উত্তর কোরিয়া থেকে রেয়ার আর্থ, ম্যাগনেট, টাংস্টেন, মলিবডেনাম ও ট্যানটালাম কেনা বন্ধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে এ সময়সীমা ঘনিয়ে এলেও মার্কিন খনি খাত দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে বলে উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
আর্থিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আর্থার ডি লিটলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে রেয়ার আর্থ ম্যাগনেটের চাহিদা ছিল প্রায় ৪৮ হাজার টন। অন্যদিকে দেশটিতে সরবরাহ ছিল ৩০০ টন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশটির বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে।
এছাড়া ২০১৫ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে টাংস্টেন ও ১৯৫৯ সালের পর ট্যানটালাম উৎপাদন হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের খনিজ খাতের আধিপত্যের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো অবকাঠামো গড়ে তুলতে আরো বেশ কয়েক বছর সময় লাগবে। বর্তমানে বিশ্বের খনিজ শোধন খাতের ৮০ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করে চীন।